ট্রেনটি বাসটিকে টেনে হিঁচড়ে প্রায় আধা কিলোমিটার নিয়ে যায়। আজ রাত আনুমানিক ৩ টায় ভয়াবহ এ দূর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা চট্টগ্রাম ট্রেন যোগাযোগ এখনও বন্ধ আছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে সাত জন পুরুষ দুইজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১০ জন । ঈদের দিন শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিং এলাকায়
বাস ট্রেন মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের দু’জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে তবে অপর ১০জনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ওয়ান আপ ট্রেন কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিং এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাসের সাথে সংঘর্ষ ঘটে। এসময় বাসটিকে আধা কিলোমিটার দূরে উত্তর অংশে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। দুর্ঘটনায় আহত হন আরো অন্তত ১০ জন।
ট্রেনের যাত্রী ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রেলগেইটের সিগন্যাল ম্যানের অবহেলার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনা পর ট্রিপল নাইনে অনেকবার ফোন দিলেও কেউ রেসপন্স করেনি। এ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোঃ ইদ্রিস জানান, পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিংয়ে সিগন্যাল না থাকার কারণে বাসটি রেললাইনে উঠে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।
কুমিল্লা ইপিজেড ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, রাত তিনটার দিকে আমরা দুর্ঘটনা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে হতাহতদের উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করি।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. অজয় ভৌমিক জানান, আমরা এ পর্যন্ত হাসপাতালে ১২ জনের লাশ পেয়েছি। দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে তবে অপর ১০জনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।





