বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল ২০২৩ সেশন থেকে ফল ২০২৫ পর্যন্ত সময়কালে ডিগ্রির সকল যোগ্যতা সম্পন্নকারী প্রকৌশল অনুষদের অধীন বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের স্নাতক পর্যায়ের ২৩৪জন, ব্যবসায় অনুষদের অধীন ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্রোগ্রামের ১৭জন, লিবারেল আর্টস অনুষদের অধীন ব্যাচেলর অব ল’স (এলএলবি), মাস্টার অব ল’স (এলএলএম), ব্যাচেলর অব আর্টস ইন ইংলিশ প্রোগ্রামসমূহের স্নাতক পর্যায়ের ৬৭ জন এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ০৯জন সহ সর্বমোট ৩৫২জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো: জামাল নাছের শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
সমার্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও ডিগ্রি প্রদান করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
সমার্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান ড. সবুর খান। গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশিনের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা সাবেক সচিব মো: তাজুল ইসলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো: তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রকৌশী অধ্যাপক ড. মো: শাহ জাহান।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন সভাপতির বক্তব্যে
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে জাগ্রত করতে হবে। দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করতে হবে। এখন তথ্য প্রযুক্তির যুগ। এআই‘র ব্যবহার শিখতে হবে। বিজ্ঞানকে কাজে না লাগালে দেশকে এগিয়ে নেয়া যাবে না। ন্যায় ভিত্তিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন,আমরা নিয়ম মানি না। তাই এখনও দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিক করতে পারিনি। আমাদের দেশ আমাদেরকেই এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়টির কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেয়া ও সুন্দর সমাবর্তন আয়োজনে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
এদিকে সমাবর্তনে সর্বোচ্চ সিজিপিএ পেয়ে চ্যান্সেলর এ্যাওয়্যার্ড পেয়েছেন মোসাম্মৎ মাহমুদা আক্তার এবং তানজিদা চৌধুরী প্রমি। তাছাড়া বিওটি এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দুজন , ভাইস চ্যান্সেলর এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিন জন, ডিনস এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন সাতজন শিক্ষার্থী। সমার্তনের দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষার্থী এবং অতিথি শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন শিক্ষার্থী ও অতিথিরা।
সমাবর্তনে কুমিল্লা জেলা, পুলিশ প্রশাসন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তর ও সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, কুমিল্লার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সাংস্কৃতিক, সামাজিক অঙ্গণের সূধীজন, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক-প্রতিনিধি, অভিভাবকগণ অংশগ্রহণ করেন।





